নতুন প্রকাশনা সমূহ:

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ছে ১০ গুণ

৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল আমেরিকান সেন্টারের আয়োজনে হয়ে গেল দুই দিনব্যাপী শিক্ষা মেলা। এতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি ছিল ভিসা আবেদন-সংক্রান্ত সেমিনার। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল ওই মেলায়। আয়োজকরা জানান, আমেরিকান সেন্টারে (প্লট-১, প্রগতি সরণি, জে-ব্লক, বারিধারা আ/এ, ঢাকা) প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখার জন্য তথ্য ও পরামর্শ মিলছে। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ নামে একটি শাখাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাবি্লউ মজিনা ৩১ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, গত বছর বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী যাওয়ার সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৩৪৮ জন। তিনি এ সংখ্যাকে ১০ গুণ বাড়িয়ে ৩৩ হাজার ৪৮০-তে উন্নীত করতে চান। অর্থাৎ আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানের চেয়ে দশ গুণ বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর পড়ালেখার সুযোগ হতে পারে।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজগুলোতে পড়ালেখা একজন শিক্ষার্থীর জীবনে নতুন নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে পারে। তবে এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়াটা ঠিক থাকা চাই। এ ক্ষেত্রে এডুকেশনইউএসএ সহযোগিতা করতে পারে। এডুকেশনইউএসএ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মসূচি সম্পর্কে নির্ভুল, সমন্বিত ও সমসাময়িক তথ্য দিয়ে থাকে।
আমেরিকান সেন্টারের পরিচালক ভিরাজ লাবেইলি জানান, আমেরিকান সেন্টারের বিশাল পরিসরে সাংস্কৃতিক কর্মসূচি চালু আছে। এর আওতায় প্রতিবছরই বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। আবার যুক্তরাষ্ট্র থেকেও আমেরিকানরা বাংলাদেশে আসেন। আমেরিকান সেন্টারের সম্বৃদ্ধ লাইব্রেরিতে নানা ধরনের বই, ম্যাগাজিন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সেবা আছে। এ ছাড়া এডুকেশনইউএসএর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যেতে আগ্রহীদের পরামর্শ ও তথ্যসেবা দেওয়া হয়। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনায় আমেরিকান কর্নার রয়েছে। ঢাকার ধানমণ্ডিতে আছে এডওয়ার্ড এম কেনেডি সেন্টার ফর পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি অ্যান্ড আর্টস।
জানা গেছে, পড়ালেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহীদের প্রথমেই উচিত এডুকেশনইউএসএর পরামর্শ নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া ও খরচের দিকটি ভালোভাবে বোঝা। আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়ায় কয়েকটি ধাপ রয়েছে। এই ধাপগুলোর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ ভর্তির অন্তত এক বছর আগে আবেদন প্রক্রিয়া শুরুর পরামর্শ দেয়। আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বেশির ভাগই আগস্ট বা সেপ্টেম্বর মাসে (ফল সেশন) শিক্ষার্থী ভর্তি করে। তবে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় জানুয়ারি মাসেও (স্প্রিং সেশন) শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে।
কোনো শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে ও কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে পড়ার জোরালো আগ্রহ থাকলে আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তার জন্য যথার্থ। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীকে ১২ বছর স্কুলজীবন (এইচএসসি বা এ লেভেল উত্তীর্ণ) সম্পন্ন করতে হবে। গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীকে ১৬ বছরের শিক্ষাজীবন (আমেরিকার ব্যাচেলর ডিগ্রির সমতুল্য) সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা চার হাজার ৮০০রও বেশি। সেগুলোর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের জন্য কতগুলো ফ্যাক্টর রয়েছে। যেমন- ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীর পছন্দের বিষয়টি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় কি না, শিক্ষাব্যয় কত, বিশ্ববিদ্যালয়টি বিদেশি শিক্ষার্থীদের আর্থিকভাবে সহায়তা দেয় কি না, বিশ্ববিদ্যালয়টি কত বড়, কোথায় তার অবস্থান কিংবা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও স্বীকৃতি আছে কি না। এডুকেশনইউএসএ এ ক্ষেত্রে সেমিনার, পরামর্শসেবার মাধ্যমে ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীকে সহযোগিতা করে থাকে।

কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বাছাইয়ের পর আগ্রহী শিক্ষার্থীর উচিত সেগুলোর প্রতিটির ওয়েবসাইট দেখা। বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও নির্দিষ্ট শিক্ষা কর্মসূচির জন্য যোগ্যতার বিষয়টিও ভালোভাবে লক্ষ্য করা উচিত। শিক্ষার্থীকে ভর্তির আগেই ভাষা দক্ষতার সনদের জন্য টোফেল (TOEFL) বা আইইএলটিএস (IELTS) পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। টোফেল, আইইএলটিএসসহ এ ধরনের অন্য পরীক্ষাগুলোর নিবন্ধন ফরম ও পড়ালেখার উপকরণ এডুকেশনইউএসএতেই পাওয়া যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ভর্তি ফরম ও তথ্য পাওয়ার পর একজন শিক্ষার্থীর ১৫ থেকে ২০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা উচিত। যথাযথভাবে পূরণ করা আবেদন ফরম ও অন্যান্য ডকুমেন্ট (সার্টিফিকেট, মার্কশিট, শিক্ষা ও জীবনযাপনের ব্যয় নির্বাহে সক্ষমতা আছে এমন সার্টিফিকেট) সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাঠাতে হয়। আবেদনের তিন মাস থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে আবেদনকারীকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে থাকে। আবেদন গৃহীত হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে একটি চিঠি ও আই-২০ (I-20) ডকুমেন্ট পাঠাবে। শিক্ষার্থী ভিসার জন্য আবেদনের আগে অবশ্যই শিক্ষার্থীর কাছে আই-২০ ফরম থাকতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে এক বছর পড়ালেখায় কত অর্থ প্রয়োজন তা নির্ভর করে শিক্ষার্থী কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ছে তার ওপর। বছরে টিউশন ফি ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচ চালানোর জন্য আরো ছয় হাজার থেকে ১২ হাজার ডলার লাগতে পারে। আবেদনকারীর আর্থিক পৃষ্ঠপোষককে (ফিন্যান্সিয়াল স্পন্সর) জোরালো আর্থিক সক্ষমতা দেখাতে হয়। সাধারণত মা-বাবা বা পরিবারের সদস্যরা বিশ্বাসযোগ্য স্পন্সর হয়ে থাকেন।
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষাবিষয়ক তথ্যের জন্য ইমেইলে (EducationUSA-Bangla@state.gov) যোগাযোগ করা যেতে পারে। এ সম্পর্কে আরো তথ্য পাওয়া যাবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ফেসবুক পেজে www.facebook.com/bangladesh.usembassy)।

৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল আমেরিকান সেন্টারের আয়োজনে হয়ে গেল দুই দিনব্যাপী শিক্ষা মেলা। এতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি ছিল ভিসা আবেদন-সংক্রান্ত সেমিনার। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল ওই মেলায়। আয়োজকরা জানান, আমেরিকান সেন্টারে (প্লট-১, প্রগতি সরণি, জে-ব্লক, বারিধারা আ/এ, ঢাকা) প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখার জন্য তথ্য ও পরামর্শ মিলছে। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ নামে একটি শাখাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাবি্লউ মজিনা ৩১ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, গত বছর বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী যাওয়ার সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৩৪৮ জন। তিনি এ সংখ্যাকে ১০ গুণ বাড়িয়ে ৩৩ হাজার ৪৮০-তে উন্নীত করতে চান। অর্থাৎ আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানের চেয়ে দশ গুণ বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর পড়ালেখার সুযোগ হতে পারে।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজগুলোতে পড়ালেখা একজন শিক্ষার্থীর জীবনে নতুন নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে পারে। তবে এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়াটা ঠিক থাকা চাই। এ ক্ষেত্রে এডুকেশনইউএসএ সহযোগিতা করতে পারে। এডুকেশনইউএসএ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মসূচি সম্পর্কে নির্ভুল, সমন্বিত ও সমসাময়িক তথ্য দিয়ে থাকে।

আমেরিকান সেন্টারের পরিচালক ভিরাজ লাবেইলি জানান, আমেরিকান সেন্টারের বিশাল পরিসরে সাংস্কৃতিক কর্মসূচি চালু আছে। এর আওতায় প্রতিবছরই বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। আবার যুক্তরাষ্ট্র থেকেও আমেরিকানরা বাংলাদেশে আসেন। আমেরিকান সেন্টারের সম্বৃদ্ধ লাইব্রেরিতে নানা ধরনের বই, ম্যাগাজিন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সেবা আছে। এ ছাড়া এডুকেশনইউএসএর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যেতে আগ্রহীদের পরামর্শ ও তথ্যসেবা দেওয়া হয়। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনায় আমেরিকান কর্নার রয়েছে। ঢাকার ধানমণ্ডিতে আছে এডওয়ার্ড এম কেনেডি সেন্টার ফর পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি অ্যান্ড আর্টস।

– See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/celebuse-nai/2014/04/16/73291#sthash.LY2eVcWe.dpuf

৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল আমেরিকান সেন্টারের আয়োজনে হয়ে গেল দুই দিনব্যাপী শিক্ষা মেলা। এতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি ছিল ভিসা আবেদন-সংক্রান্ত সেমিনার। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল ওই মেলায়। আয়োজকরা জানান, আমেরিকান সেন্টারে (প্লট-১, প্রগতি সরণি, জে-ব্লক, বারিধারা আ/এ, ঢাকা) প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখার জন্য তথ্য ও পরামর্শ মিলছে। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ নামে একটি শাখাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাবি্লউ মজিনা ৩১ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, গত বছর বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী যাওয়ার সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৩৪৮ জন। তিনি এ সংখ্যাকে ১০ গুণ বাড়িয়ে ৩৩ হাজার ৪৮০-তে উন্নীত করতে চান। অর্থাৎ আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানের চেয়ে দশ গুণ বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর পড়ালেখার সুযোগ হতে পারে।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজগুলোতে পড়ালেখা একজন শিক্ষার্থীর জীবনে নতুন নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে পারে। তবে এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়াটা ঠিক থাকা চাই। এ ক্ষেত্রে এডুকেশনইউএসএ সহযোগিতা করতে পারে। এডুকেশনইউএসএ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মসূচি সম্পর্কে নির্ভুল, সমন্বিত ও সমসাময়িক তথ্য দিয়ে থাকে।

আমেরিকান সেন্টারের পরিচালক ভিরাজ লাবেইলি জানান, আমেরিকান সেন্টারের বিশাল পরিসরে সাংস্কৃতিক কর্মসূচি চালু আছে। এর আওতায় প্রতিবছরই বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। আবার যুক্তরাষ্ট্র থেকেও আমেরিকানরা বাংলাদেশে আসেন। আমেরিকান সেন্টারের সম্বৃদ্ধ লাইব্রেরিতে নানা ধরনের বই, ম্যাগাজিন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সেবা আছে। এ ছাড়া এডুকেশনইউএসএর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যেতে আগ্রহীদের পরামর্শ ও তথ্যসেবা দেওয়া হয়। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনায় আমেরিকান কর্নার রয়েছে। ঢাকার ধানমণ্ডিতে আছে এডওয়ার্ড এম কেনেডি সেন্টার ফর পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি অ্যান্ড আর্টস।

– See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/celebuse-nai/2014/04/16/73291#sthash.LY2eVcWe.dpuf

৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল আমেরিকান সেন্টারের আয়োজনে হয়ে গেল দুই দিনব্যাপী শিক্ষা মেলা। এতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি ছিল ভিসা আবেদন-সংক্রান্ত সেমিনার। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল ওই মেলায়। আয়োজকরা জানান, আমেরিকান সেন্টারে (প্লট-১, প্রগতি সরণি, জে-ব্লক, বারিধারা আ/এ, ঢাকা) প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখার জন্য তথ্য ও পরামর্শ মিলছে। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ নামে একটি শাখাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাবি্লউ মজিনা ৩১ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, গত বছর বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী যাওয়ার সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৩৪৮ জন। তিনি এ সংখ্যাকে ১০ গুণ বাড়িয়ে ৩৩ হাজার ৪৮০-তে উন্নীত করতে চান। অর্থাৎ আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানের চেয়ে দশ গুণ বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর পড়ালেখার সুযোগ হতে পারে।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজগুলোতে পড়ালেখা একজন শিক্ষার্থীর জীবনে নতুন নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে পারে। তবে এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়াটা ঠিক থাকা চাই। এ ক্ষেত্রে এডুকেশনইউএসএ সহযোগিতা করতে পারে। এডুকেশনইউএসএ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মসূচি সম্পর্কে নির্ভুল, সমন্বিত ও সমসাময়িক তথ্য দিয়ে থাকে।

আমেরিকান সেন্টারের পরিচালক ভিরাজ লাবেইলি জানান, আমেরিকান সেন্টারের বিশাল পরিসরে সাংস্কৃতিক কর্মসূচি চালু আছে। এর আওতায় প্রতিবছরই বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। আবার যুক্তরাষ্ট্র থেকেও আমেরিকানরা বাংলাদেশে আসেন। আমেরিকান সেন্টারের সম্বৃদ্ধ লাইব্রেরিতে নানা ধরনের বই, ম্যাগাজিন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সেবা আছে। এ ছাড়া এডুকেশনইউএসএর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যেতে আগ্রহীদের পরামর্শ ও তথ্যসেবা দেওয়া হয়। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনায় আমেরিকান কর্নার রয়েছে। ঢাকার ধানমণ্ডিতে আছে এডওয়ার্ড এম কেনেডি সেন্টার ফর পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি অ্যান্ড আর্টস।

জানা গেছে, পড়ালেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহীদের প্রথমেই উচিত এডুকেশনইউএসএর পরামর্শ নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া ও খরচের দিকটি ভালোভাবে বোঝা। আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়ায় কয়েকটি ধাপ রয়েছে। এই ধাপগুলোর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ ভর্তির অন্তত এক বছর আগে আবেদন প্রক্রিয়া শুরুর পরামর্শ দেয়। আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বেশির ভাগই আগস্ট বা সেপ্টেম্বর মাসে (ফল সেশন) শিক্ষার্থী ভর্তি করে। তবে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় জানুয়ারি মাসেও (স্প্রিং সেশন) শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে।

কোনো শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে ও কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে পড়ার জোরালো আগ্রহ থাকলে আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তার জন্য যথার্থ। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীকে ১২ বছর স্কুলজীবন (এইচএসসি বা এ লেভেল উত্তীর্ণ) সম্পন্ন করতে হবে। গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীকে ১৬ বছরের শিক্ষাজীবন (আমেরিকার ব্যাচেলর ডিগ্রির সমতুল্য) সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা চার হাজার ৮০০রও বেশি। সেগুলোর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের জন্য কতগুলো ফ্যাক্টর রয়েছে। যেমন- ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীর পছন্দের বিষয়টি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় কি না, শিক্ষাব্যয় কত, বিশ্ববিদ্যালয়টি বিদেশি শিক্ষার্থীদের আর্থিকভাবে সহায়তা দেয় কি না, বিশ্ববিদ্যালয়টি কত বড়, কোথায় তার অবস্থান কিংবা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও স্বীকৃতি আছে কি না। এডুকেশনইউএসএ এ ক্ষেত্রে সেমিনার, পরামর্শসেবার মাধ্যমে ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীকে সহযোগিতা করে থাকে।

কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বাছাইয়ের পর আগ্রহী শিক্ষার্থীর উচিত সেগুলোর প্রতিটির ওয়েবসাইট দেখা। বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও নির্দিষ্ট শিক্ষা কর্মসূচির জন্য যোগ্যতার বিষয়টিও ভালোভাবে লক্ষ্য করা উচিত। শিক্ষার্থীকে ভর্তির আগেই ভাষা দক্ষতার সনদের জন্য টোফেল (TOEFL) বা আইইএলটিএস (IELTS) পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। টোফেল, আইইএলটিএসসহ এ ধরনের অন্য পরীক্ষাগুলোর নিবন্ধন ফরম ও পড়ালেখার উপকরণ এডুকেশনইউএসএতেই পাওয়া যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ভর্তি ফরম ও তথ্য পাওয়ার পর একজন শিক্ষার্থীর ১৫ থেকে ২০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা উচিত। যথাযথভাবে পূরণ করা আবেদন ফরম ও অন্যান্য ডকুমেন্ট (সার্টিফিকেট, মার্কশিট, শিক্ষা ও জীবনযাপনের ব্যয় নির্বাহে সক্ষমতা আছে এমন সার্টিফিকেট) সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাঠাতে হয়। আবেদনের তিন মাস থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে আবেদনকারীকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে থাকে। আবেদন গৃহীত হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে একটি চিঠি ও আই-২০ (I-20) ডকুমেন্ট পাঠাবে। শিক্ষার্থী ভিসার জন্য আবেদনের আগে অবশ্যই শিক্ষার্থীর কাছে আই-২০ ফরম থাকতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে এক বছর পড়ালেখায় কত অর্থ প্রয়োজন তা নির্ভর করে শিক্ষার্থী কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ছে তার ওপর। বছরে টিউশন ফি ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচ চালানোর জন্য আরো ছয় হাজার থেকে ১২ হাজার ডলার লাগতে পারে। আবেদনকারীর আর্থিক পৃষ্ঠপোষককে (ফিন্যান্সিয়াল স্পন্সর) জোরালো আর্থিক সক্ষমতা দেখাতে হয়। সাধারণত মা-বাবা বা পরিবারের সদস্যরা বিশ্বাসযোগ্য স্পন্সর হয়ে থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষাবিষয়ক তথ্যের জন্য ইমেইলে (EducationUSA-Bangla@state.gov) যোগাযোগ করা যেতে পারে। এ সম্পর্কে আরো তথ্য পাওয়া যাবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ফেসবুক পেজে www.facebook.com/bangladesh.usembassy)।

– See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/celebuse-nai/2014/04/16/73291#sthash.LY2eVcWe.dpuf

৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল আমেরিকান সেন্টারের আয়োজনে হয়ে গেল দুই দিনব্যাপী শিক্ষা মেলা। এতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি ছিল ভিসা আবেদন-সংক্রান্ত সেমিনার। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল ওই মেলায়। আয়োজকরা জানান, আমেরিকান সেন্টারে (প্লট-১, প্রগতি সরণি, জে-ব্লক, বারিধারা আ/এ, ঢাকা) প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখার জন্য তথ্য ও পরামর্শ মিলছে। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ নামে একটি শাখাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাবি্লউ মজিনা ৩১ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, গত বছর বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী যাওয়ার সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৩৪৮ জন। তিনি এ সংখ্যাকে ১০ গুণ বাড়িয়ে ৩৩ হাজার ৪৮০-তে উন্নীত করতে চান। অর্থাৎ আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানের চেয়ে দশ গুণ বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর পড়ালেখার সুযোগ হতে পারে।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজগুলোতে পড়ালেখা একজন শিক্ষার্থীর জীবনে নতুন নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে পারে। তবে এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়াটা ঠিক থাকা চাই। এ ক্ষেত্রে এডুকেশনইউএসএ সহযোগিতা করতে পারে। এডুকেশনইউএসএ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মসূচি সম্পর্কে নির্ভুল, সমন্বিত ও সমসাময়িক তথ্য দিয়ে থাকে।

আমেরিকান সেন্টারের পরিচালক ভিরাজ লাবেইলি জানান, আমেরিকান সেন্টারের বিশাল পরিসরে সাংস্কৃতিক কর্মসূচি চালু আছে। এর আওতায় প্রতিবছরই বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। আবার যুক্তরাষ্ট্র থেকেও আমেরিকানরা বাংলাদেশে আসেন। আমেরিকান সেন্টারের সম্বৃদ্ধ লাইব্রেরিতে নানা ধরনের বই, ম্যাগাজিন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সেবা আছে। এ ছাড়া এডুকেশনইউএসএর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যেতে আগ্রহীদের পরামর্শ ও তথ্যসেবা দেওয়া হয়। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনায় আমেরিকান কর্নার রয়েছে। ঢাকার ধানমণ্ডিতে আছে এডওয়ার্ড এম কেনেডি সেন্টার ফর পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি অ্যান্ড আর্টস।

জানা গেছে, পড়ালেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহীদের প্রথমেই উচিত এডুকেশনইউএসএর পরামর্শ নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া ও খরচের দিকটি ভালোভাবে বোঝা। আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়ায় কয়েকটি ধাপ রয়েছে। এই ধাপগুলোর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ ভর্তির অন্তত এক বছর আগে আবেদন প্রক্রিয়া শুরুর পরামর্শ দেয়। আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বেশির ভাগই আগস্ট বা সেপ্টেম্বর মাসে (ফল সেশন) শিক্ষার্থী ভর্তি করে। তবে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় জানুয়ারি মাসেও (স্প্রিং সেশন) শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে।

কোনো শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে ও কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে পড়ার জোরালো আগ্রহ থাকলে আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তার জন্য যথার্থ। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীকে ১২ বছর স্কুলজীবন (এইচএসসি বা এ লেভেল উত্তীর্ণ) সম্পন্ন করতে হবে। গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীকে ১৬ বছরের শিক্ষাজীবন (আমেরিকার ব্যাচেলর ডিগ্রির সমতুল্য) সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা চার হাজার ৮০০রও বেশি। সেগুলোর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের জন্য কতগুলো ফ্যাক্টর রয়েছে। যেমন- ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীর পছন্দের বিষয়টি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় কি না, শিক্ষাব্যয় কত, বিশ্ববিদ্যালয়টি বিদেশি শিক্ষার্থীদের আর্থিকভাবে সহায়তা দেয় কি না, বিশ্ববিদ্যালয়টি কত বড়, কোথায় তার অবস্থান কিংবা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও স্বীকৃতি আছে কি না। এডুকেশনইউএসএ এ ক্ষেত্রে সেমিনার, পরামর্শসেবার মাধ্যমে ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীকে সহযোগিতা করে থাকে।

কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বাছাইয়ের পর আগ্রহী শিক্ষার্থীর উচিত সেগুলোর প্রতিটির ওয়েবসাইট দেখা। বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও নির্দিষ্ট শিক্ষা কর্মসূচির জন্য যোগ্যতার বিষয়টিও ভালোভাবে লক্ষ্য করা উচিত। শিক্ষার্থীকে ভর্তির আগেই ভাষা দক্ষতার সনদের জন্য টোফেল (TOEFL) বা আইইএলটিএস (IELTS) পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। টোফেল, আইইএলটিএসসহ এ ধরনের অন্য পরীক্ষাগুলোর নিবন্ধন ফরম ও পড়ালেখার উপকরণ এডুকেশনইউএসএতেই পাওয়া যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ভর্তি ফরম ও তথ্য পাওয়ার পর একজন শিক্ষার্থীর ১৫ থেকে ২০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা উচিত। যথাযথভাবে পূরণ করা আবেদন ফরম ও অন্যান্য ডকুমেন্ট (সার্টিফিকেট, মার্কশিট, শিক্ষা ও জীবনযাপনের ব্যয় নির্বাহে সক্ষমতা আছে এমন সার্টিফিকেট) সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাঠাতে হয়। আবেদনের তিন মাস থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে আবেদনকারীকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে থাকে। আবেদন গৃহীত হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে একটি চিঠি ও আই-২০ (I-20) ডকুমেন্ট পাঠাবে। শিক্ষার্থী ভিসার জন্য আবেদনের আগে অবশ্যই শিক্ষার্থীর কাছে আই-২০ ফরম থাকতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে এক বছর পড়ালেখায় কত অর্থ প্রয়োজন তা নির্ভর করে শিক্ষার্থী কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ছে তার ওপর। বছরে টিউশন ফি ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচ চালানোর জন্য আরো ছয় হাজার থেকে ১২ হাজার ডলার লাগতে পারে। আবেদনকারীর আর্থিক পৃষ্ঠপোষককে (ফিন্যান্সিয়াল স্পন্সর) জোরালো আর্থিক সক্ষমতা দেখাতে হয়। সাধারণত মা-বাবা বা পরিবারের সদস্যরা বিশ্বাসযোগ্য স্পন্সর হয়ে থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষাবিষয়ক তথ্যের জন্য ইমেইলে (EducationUSA-Bangla@state.gov) যোগাযোগ করা যেতে পারে। এ সম্পর্কে আরো তথ্য পাওয়া যাবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ফেসবুক পেজে www.facebook.com/bangladesh.usembassy)।

– See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/celebuse-nai/2014/04/16/73291#sthash.LY2eVcWe.dpuf

৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল আমেরিকান সেন্টারের আয়োজনে হয়ে গেল দুই দিনব্যাপী শিক্ষা মেলা। এতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি ছিল ভিসা আবেদন-সংক্রান্ত সেমিনার। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল ওই মেলায়। আয়োজকরা জানান, আমেরিকান সেন্টারে (প্লট-১, প্রগতি সরণি, জে-ব্লক, বারিধারা আ/এ, ঢাকা) প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখার জন্য তথ্য ও পরামর্শ মিলছে। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ নামে একটি শাখাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাবি্লউ মজিনা ৩১ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, গত বছর বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী যাওয়ার সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৩৪৮ জন। তিনি এ সংখ্যাকে ১০ গুণ বাড়িয়ে ৩৩ হাজার ৪৮০-তে উন্নীত করতে চান। অর্থাৎ আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানের চেয়ে দশ গুণ বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর পড়ালেখার সুযোগ হতে পারে।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজগুলোতে পড়ালেখা একজন শিক্ষার্থীর জীবনে নতুন নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে পারে। তবে এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়াটা ঠিক থাকা চাই। এ ক্ষেত্রে এডুকেশনইউএসএ সহযোগিতা করতে পারে। এডুকেশনইউএসএ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মসূচি সম্পর্কে নির্ভুল, সমন্বিত ও সমসাময়িক তথ্য দিয়ে থাকে।

আমেরিকান সেন্টারের পরিচালক ভিরাজ লাবেইলি জানান, আমেরিকান সেন্টারের বিশাল পরিসরে সাংস্কৃতিক কর্মসূচি চালু আছে। এর আওতায় প্রতিবছরই বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। আবার যুক্তরাষ্ট্র থেকেও আমেরিকানরা বাংলাদেশে আসেন। আমেরিকান সেন্টারের সম্বৃদ্ধ লাইব্রেরিতে নানা ধরনের বই, ম্যাগাজিন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সেবা আছে। এ ছাড়া এডুকেশনইউএসএর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যেতে আগ্রহীদের পরামর্শ ও তথ্যসেবা দেওয়া হয়। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনায় আমেরিকান কর্নার রয়েছে। ঢাকার ধানমণ্ডিতে আছে এডওয়ার্ড এম কেনেডি সেন্টার ফর পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি অ্যান্ড আর্টস।

জানা গেছে, পড়ালেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহীদের প্রথমেই উচিত এডুকেশনইউএসএর পরামর্শ নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া ও খরচের দিকটি ভালোভাবে বোঝা। আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়ায় কয়েকটি ধাপ রয়েছে। এই ধাপগুলোর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ ভর্তির অন্তত এক বছর আগে আবেদন প্রক্রিয়া শুরুর পরামর্শ দেয়। আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বেশির ভাগই আগস্ট বা সেপ্টেম্বর মাসে (ফল সেশন) শিক্ষার্থী ভর্তি করে। তবে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় জানুয়ারি মাসেও (স্প্রিং সেশন) শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে।

কোনো শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে ও কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে পড়ার জোরালো আগ্রহ থাকলে আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তার জন্য যথার্থ। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীকে ১২ বছর স্কুলজীবন (এইচএসসি বা এ লেভেল উত্তীর্ণ) সম্পন্ন করতে হবে। গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীকে ১৬ বছরের শিক্ষাজীবন (আমেরিকার ব্যাচেলর ডিগ্রির সমতুল্য) সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা চার হাজার ৮০০রও বেশি। সেগুলোর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের জন্য কতগুলো ফ্যাক্টর রয়েছে। যেমন- ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীর পছন্দের বিষয়টি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় কি না, শিক্ষাব্যয় কত, বিশ্ববিদ্যালয়টি বিদেশি শিক্ষার্থীদের আর্থিকভাবে সহায়তা দেয় কি না, বিশ্ববিদ্যালয়টি কত বড়, কোথায় তার অবস্থান কিংবা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও স্বীকৃতি আছে কি না। এডুকেশনইউএসএ এ ক্ষেত্রে সেমিনার, পরামর্শসেবার মাধ্যমে ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীকে সহযোগিতা করে থাকে।

কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বাছাইয়ের পর আগ্রহী শিক্ষার্থীর উচিত সেগুলোর প্রতিটির ওয়েবসাইট দেখা। বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও নির্দিষ্ট শিক্ষা কর্মসূচির জন্য যোগ্যতার বিষয়টিও ভালোভাবে লক্ষ্য করা উচিত। শিক্ষার্থীকে ভর্তির আগেই ভাষা দক্ষতার সনদের জন্য টোফেল (TOEFL) বা আইইএলটিএস (IELTS) পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। টোফেল, আইইএলটিএসসহ এ ধরনের অন্য পরীক্ষাগুলোর নিবন্ধন ফরম ও পড়ালেখার উপকরণ এডুকেশনইউএসএতেই পাওয়া যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ভর্তি ফরম ও তথ্য পাওয়ার পর একজন শিক্ষার্থীর ১৫ থেকে ২০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা উচিত। যথাযথভাবে পূরণ করা আবেদন ফরম ও অন্যান্য ডকুমেন্ট (সার্টিফিকেট, মার্কশিট, শিক্ষা ও জীবনযাপনের ব্যয় নির্বাহে সক্ষমতা আছে এমন সার্টিফিকেট) সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাঠাতে হয়। আবেদনের তিন মাস থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে আবেদনকারীকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে থাকে। আবেদন গৃহীত হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে একটি চিঠি ও আই-২০ (I-20) ডকুমেন্ট পাঠাবে। শিক্ষার্থী ভিসার জন্য আবেদনের আগে অবশ্যই শিক্ষার্থীর কাছে আই-২০ ফরম থাকতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে এক বছর পড়ালেখায় কত অর্থ প্রয়োজন তা নির্ভর করে শিক্ষার্থী কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ছে তার ওপর। বছরে টিউশন ফি ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচ চালানোর জন্য আরো ছয় হাজার থেকে ১২ হাজার ডলার লাগতে পারে। আবেদনকারীর আর্থিক পৃষ্ঠপোষককে (ফিন্যান্সিয়াল স্পন্সর) জোরালো আর্থিক সক্ষমতা দেখাতে হয়। সাধারণত মা-বাবা বা পরিবারের সদস্যরা বিশ্বাসযোগ্য স্পন্সর হয়ে থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষাবিষয়ক তথ্যের জন্য ইমেইলে (EducationUSA-Bangla@state.gov) যোগাযোগ করা যেতে পারে। এ সম্পর্কে আরো তথ্য পাওয়া যাবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ফেসবুক পেজে www.facebook.com/bangladesh.usembassy)।

– See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/celebuse-nai/2014/04/16/73291#sthash.LY2eVcWe.dpuf

৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল আমেরিকান সেন্টারের আয়োজনে হয়ে গেল দুই দিনব্যাপী শিক্ষা মেলা। এতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি ছিল ভিসা আবেদন-সংক্রান্ত সেমিনার। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল ওই মেলায়। আয়োজকরা জানান, আমেরিকান সেন্টারে (প্লট-১, প্রগতি সরণি, জে-ব্লক, বারিধারা আ/এ, ঢাকা) প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখার জন্য তথ্য ও পরামর্শ মিলছে। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ নামে একটি শাখাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাবি্লউ মজিনা ৩১ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, গত বছর বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী যাওয়ার সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৩৪৮ জন। তিনি এ সংখ্যাকে ১০ গুণ বাড়িয়ে ৩৩ হাজার ৪৮০-তে উন্নীত করতে চান। অর্থাৎ আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানের চেয়ে দশ গুণ বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর পড়ালেখার সুযোগ হতে পারে।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজগুলোতে পড়ালেখা একজন শিক্ষার্থীর জীবনে নতুন নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে পারে। তবে এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়াটা ঠিক থাকা চাই। এ ক্ষেত্রে এডুকেশনইউএসএ সহযোগিতা করতে পারে। এডুকেশনইউএসএ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মসূচি সম্পর্কে নির্ভুল, সমন্বিত ও সমসাময়িক তথ্য দিয়ে থাকে।

আমেরিকান সেন্টারের পরিচালক ভিরাজ লাবেইলি জানান, আমেরিকান সেন্টারের বিশাল পরিসরে সাংস্কৃতিক কর্মসূচি চালু আছে। এর আওতায় প্রতিবছরই বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। আবার যুক্তরাষ্ট্র থেকেও আমেরিকানরা বাংলাদেশে আসেন। আমেরিকান সেন্টারের সম্বৃদ্ধ লাইব্রেরিতে নানা ধরনের বই, ম্যাগাজিন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সেবা আছে। এ ছাড়া এডুকেশনইউএসএর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যেতে আগ্রহীদের পরামর্শ ও তথ্যসেবা দেওয়া হয়। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনায় আমেরিকান কর্নার রয়েছে। ঢাকার ধানমণ্ডিতে আছে এডওয়ার্ড এম কেনেডি সেন্টার ফর পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি অ্যান্ড আর্টস।

জানা গেছে, পড়ালেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহীদের প্রথমেই উচিত এডুকেশনইউএসএর পরামর্শ নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া ও খরচের দিকটি ভালোভাবে বোঝা। আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়ায় কয়েকটি ধাপ রয়েছে। এই ধাপগুলোর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন। এ জন্য এডুকেশনইউএসএ ভর্তির অন্তত এক বছর আগে আবেদন প্রক্রিয়া শুরুর পরামর্শ দেয়। আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বেশির ভাগই আগস্ট বা সেপ্টেম্বর মাসে (ফল সেশন) শিক্ষার্থী ভর্তি করে। তবে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় জানুয়ারি মাসেও (স্প্রিং সেশন) শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে।

কোনো শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে ও কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে পড়ার জোরালো আগ্রহ থাকলে আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তার জন্য যথার্থ। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীকে ১২ বছর স্কুলজীবন (এইচএসসি বা এ লেভেল উত্তীর্ণ) সম্পন্ন করতে হবে। গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীকে ১৬ বছরের শিক্ষাজীবন (আমেরিকার ব্যাচেলর ডিগ্রির সমতুল্য) সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা চার হাজার ৮০০রও বেশি। সেগুলোর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের জন্য কতগুলো ফ্যাক্টর রয়েছে। যেমন- ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীর পছন্দের বিষয়টি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় কি না, শিক্ষাব্যয় কত, বিশ্ববিদ্যালয়টি বিদেশি শিক্ষার্থীদের আর্থিকভাবে সহায়তা দেয় কি না, বিশ্ববিদ্যালয়টি কত বড়, কোথায় তার অবস্থান কিংবা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও স্বীকৃতি আছে কি না। এডুকেশনইউএসএ এ ক্ষেত্রে সেমিনার, পরামর্শসেবার মাধ্যমে ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীকে সহযোগিতা করে থাকে।

কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বাছাইয়ের পর আগ্রহী শিক্ষার্থীর উচিত সেগুলোর প্রতিটির ওয়েবসাইট দেখা। বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও নির্দিষ্ট শিক্ষা কর্মসূচির জন্য যোগ্যতার বিষয়টিও ভালোভাবে লক্ষ্য করা উচিত। শিক্ষার্থীকে ভর্তির আগেই ভাষা দক্ষতার সনদের জন্য টোফেল (TOEFL) বা আইইএলটিএস (IELTS) পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। টোফেল, আইইএলটিএসসহ এ ধরনের অন্য পরীক্ষাগুলোর নিবন্ধন ফরম ও পড়ালেখার উপকরণ এডুকেশনইউএসএতেই পাওয়া যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ভর্তি ফরম ও তথ্য পাওয়ার পর একজন শিক্ষার্থীর ১৫ থেকে ২০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা উচিত। যথাযথভাবে পূরণ করা আবেদন ফরম ও অন্যান্য ডকুমেন্ট (সার্টিফিকেট, মার্কশিট, শিক্ষা ও জীবনযাপনের ব্যয় নির্বাহে সক্ষমতা আছে এমন সার্টিফিকেট) সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাঠাতে হয়। আবেদনের তিন মাস থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে আবেদনকারীকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে থাকে। আবেদন গৃহীত হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে একটি চিঠি ও আই-২০ (I-20) ডকুমেন্ট পাঠাবে। শিক্ষার্থী ভিসার জন্য আবেদনের আগে অবশ্যই শিক্ষার্থীর কাছে আই-২০ ফরম থাকতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে এক বছর পড়ালেখায় কত অর্থ প্রয়োজন তা নির্ভর করে শিক্ষার্থী কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ছে তার ওপর। বছরে টিউশন ফি ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচ চালানোর জন্য আরো ছয় হাজার থেকে ১২ হাজার ডলার লাগতে পারে। আবেদনকারীর আর্থিক পৃষ্ঠপোষককে (ফিন্যান্সিয়াল স্পন্সর) জোরালো আর্থিক সক্ষমতা দেখাতে হয়। সাধারণত মা-বাবা বা পরিবারের সদস্যরা বিশ্বাসযোগ্য স্পন্সর হয়ে থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষাবিষয়ক তথ্যের জন্য ইমেইলে (EducationUSA-Bangla@state.gov) যোগাযোগ করা যেতে পারে। এ সম্পর্কে আরো তথ্য পাওয়া যাবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ফেসবুক পেজে www.facebook.com/bangladesh.usembassy)।

– See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/celebuse-nai/2014/04/16/73291#sthash.LY2eVcWe.dpuf

১টা মন্তব্য

Leave a Reply

Diploma Engineers

ডিপ্লোমা -ইন- ইঞ্জিনিয়ার ব্লগ ’ হচ্ছে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মতামত প্রকাশের একটি মাধ্যম যাতে ...
View

পূঞ্জিকা

জানুয়ারি ২০১৮
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র
« ডিসে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১